আজ

  • সোমবার
  • ১০ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ফেনীর সোনাগাজীতে উদ্বোধনের আগেই ফাটল ধরেছে নির্মাণাধীন সাহেবের ঘাট সেতুর পিলারে।

আপডেট : অক্টোবর, ৪, ২০১৮, ১:০২ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার>>>সোলেয়মান মাহদী

ফেনীর সোনাগাজীতে উদ্বোধনের আগেই ফাটল ধরেছে নির্মাণাধীন সাহেবের ঘাট সেতুর পিলারে। সেতুর পাঁচশো গজের মধ্যে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে তোলা হচ্ছে বালু। এতে ধসে পড়ার শঙ্কায় রয়েছে পুরো সেতু। ধ্স ঠেকাতে ফেলা হচ্ছে বালুর বস্তা।
সূত্র জানায়,২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ছোট ফেনী নদীর চর-দরবেশ ইউনিয়নের সাহেবের ঘাট এলাকায় সেতু নির্মাণ শুরু হয় । সেতুটি হলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ হবে ফেনীর সোনাগাজীর বাসিন্দাদের।
১০টি পিলারের ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে চারশো ৭৮ মিটার দীর্ঘ সেতুটি। কিন্তু দুই বছরেও শেষ হয়নি কাজ। এরই মধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে একটি বড় পিলারে। এজন্য অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে দায়ী করছেন সেতু প্রকল্পের প্রকৌশলী। নির্মাণাধীন সেতুর ৫শো গজের মধ্যে বালু তোলা নিষিদ্ধ হলেও মানা হচ্ছে না তা। আর অবৈধভাবে বালু তোলার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা দুষছেন একে অপরকে।
সাহেবের ঘাট সেতু প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মেহেদি হাসান বলেন, বালু উত্তোলনের ফলে আমাদের এ্যাপ্রোস ভেঙে যাচ্ছে। এবং এটা ভাঙতে থাকলে ভবিষৎতে সেতুটি ভেঙে পড়বে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট আমরা অবজেকশন জানিয়েছি। বালু যাতে না উত্তোলন করে এ বিষয়ে আমরা তাদের কাছে অনুরোধ রইলো। ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, পিলার থেকে ৫০ গজ দূরে তারা বালু তুলছে। আমরা বার বার মানা করার পরও কর্ণপাত করে নাই তারা। এটার সাথে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার সহ ওদিকের লোকজন জড়িত।
এদিকে, চলতি বছরের শুরুতে ভেঙে পড়ে সেতুর একটি গার্ডার। এ ধরনের ঘটনায় কাজের মান নিয়েও দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
নির্মাণাধীন সেতুর কাছ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ইতিমধ্যে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। আবারও যদি কেউ বালু তুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব। আমরা এ ব্যাপারে সজাগ আছি।
প্রসঙ্গত; ফেনীর সোনাগাজীতে ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেতুটির নির্মাণকাজের দায়িত্বে রয়েছে নোয়াখালীর সড়ক ও জনপথ বিভাগ।