আজ

  • রবিবার
  • ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গণসংযোগ শুরু করেছেন ফেনী ২ সদর আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী এম. আজহারুল হক আরজু

আপডেট : অক্টোবর, ১১, ২০১৮, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ

সালাহ্উদ্দিন মজুমদার>>>
কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে উন্নয়ন প্রচার করতে অানুষ্ঠানিকভাবে গণসংযোগ শুরু করেছেন অা’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এম আজহারুল হক আরজু। তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে গনভবনে সাক্ষাত করলে তিনি এলাকায় গিয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার সকালে ধর্মপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে গনসংযোগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তিনি অারও বলেন, ফেনীতে পরিবর্তনের লক্ষ্যে গনসংযোগ জয়যাত্রা শুরু হলো।

ফেনী -২ আসনের নতুন মুখ,এম আজহারুল হক আরজু। তার রাজনীতি ও সমাজিক কর্মকান্ড।

ফেনী ২ (সদর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী এম. আজহারুল হক আরজু, জন্ম ২রা জানুয়ারী ১৯৭২ ইং ফেনী জেলার অন্তর্গত ফেনী সদর থানার ধর্মপুর ইউনিয়নের জোয়ার কাছাড় গ্রামে।

শিক্ষা গত যোগ্যতাঃ
১৯৮৭ সালে ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুল থেকে এসএসসি।
১৯৮৯ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজ থেকে এইচএসসি।
১৯৯২ সালে ফেনী সরকারী কলেজ থেকে বিএসএস।
১৯৯৫ সালে কুমিল্লা ‘ল’ কলেজ থেকে প্রথম অংশ এলএলবি,গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ১ বছর থাকার কারনে এলএলবি সম্পুন্ন করা সম্ভব হয়নি।

 

রাজনৈতিক জীবনঃ
১৯৮৪ সালে ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। কিছু ছাত্রদের সংগঠিত করে ইান্দিরা গান্ধী হত্যার প্রতিবাদ করায় তৎকালীন সময়ে স্কুল থেকে আমাকে এক মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

১৯৮৬ সালে ধর্মপুর ইউনিয়নে স্বধীনতার পরে ছাত্রলীগের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে আমি সভাপতি নির্বাচিত হই।
১৯৮৭ সালে ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের আমতলী বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদের সভাপতি নির্বাচিত হই।
১৯৮৮ সালে ফেনী সদর থানা ছাত্রলীগের সম্মেলনে আমি সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হই।
১৯৯০ সালে সদর থানা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্বে ছিলাম ২ বছর।
১৯৯২ সালে ফেনী সদর থানা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনেও আমি বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বচিত হই।
১৯৯৪ সালে আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হই।

১৯৯৬ সালে ৬ই ডিসেম্বর ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন উদ্ধোধন করেন তৎকালীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভপিত এনামুল হক শামীম। সেই সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সর্বসম্মতিক্রমে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বচিত হয়ে ১৯৯৬৯ থেকে টানা ২০০৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করি।

১৯৯৭ সালে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নির্বাচিত হই। ২০০৪ সালে জেলা যুবলীগের আহব্বায়ক হিসেবে নির্বাচিত হই। ২০০৪ সালে ফেনী জেলা যুবলিগের আহব্বায়ক নির্বাচিত হওয়ার পরে জোট সরকার বিরোধী আন্দোলনে জাতীয় নির্বাচনে ফেনী জেলা যুবলীগ সর্বোচ্চ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।

১২ সালে ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আমি সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী হই। বর্তমান নেতৃত্ব আমার প্রার্থীতার বিষয়টি গোপন রেখে বল প্রয়েগের মাধ্যমে নিজেকে একক প্রার্থী ঘোষনা করে। পরবর্তীতে আমকে ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হিসেবে দেখানো হয়।

জন প্রতিনিধি হিবেসে দায়িত্ব পালনঃ
১৯৯৭ সালে ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি থাকা কালীন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় ধর্মপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যার হিসেবে নির্বাচিত হই।

২০০৩ সালে সালে জোট সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে আমি নোয়াখালী কারাগারের কনডম সেলে ১১ মাস জেলে ছিলাম। কারাগার থেকে ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহন করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করি। ২০১১ সালেও ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহন করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করি। এভাবে টানা ১৯ বছর অত্যন্ত সুনামেন সহিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দলের ভাবমূর্তি জনগনের মাঝে অত্যন্ত সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলি।

কারাবরনঃ
১৯৯৫ সালে খালেদা জিয়া যখন বলেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানিনা, তখন আমাদের জননেত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া আমরা ঘরে ফিরবোনা। সে দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন করতে গিয়ে কারাবরন করি। প্রথমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার, পরে ফেনী জেলা কারাগার, পরবর্তীতে শেষ তিন মাস নোয়াখালী কারাগার থেকে মুক্তিলাভ করি।

২০০১ সালে জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে জয়নাল হাজারী সহ ভারতে আত্মগোপন করি। ২০০২ সালে দেশে ফিরে এলে কুমিল্লা থেকে আমাদের চার জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। সেই থেকে টানা নয় মাস নোয়াখালী কারাগারে কনডেম সেলে ছিলাম। কারা পরিদর্শনে গিয়ে বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন ফারুক কারা কতৃপক্ষের সামনে ঔদ্ধত্যপূর্ন আচরণ করে ছিলেন যা অনেকটা মারধরের মতো। ২০০৩ সালের ২৮ শে জনুয়ারী নোয়াখালী কারাগার থেকে মুক্তিলাভ করি।

১/১১ এর ঘটনায় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ করতে গিয়ে লে. কর্ণেল কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে মেজার হায়দার আমাকে ইউপি অফিস থেকে গ্রেফতার করে। তিন মাস কারাভোগের পর হাইকোর্ট আমাকে মুক্তিদেয়। মুক্তি- লাভের পর ফেনী পৌরসভা যুবলীগ অফিসে নেতাকর্মীদের সাথে বৈঠক অবস্থায় আমাকে গ্রেফতার করে ফেনী সার্কিট হাউজে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যায়।
আজ যারা ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের দায়িত্ব রয়েছে, বিশেষ করে নিজাম হাজারী সেই সময়ে সেনা অফিসারদের বাজার খরচ করতেন।

সামাজিক কাজে সম্পৃক্ততাঃ
আজীবন সদস্য, ফেনী ডাইবেটিক সমিতি। আজীবন সদস্য, ফেনী রেড ক্রিসেন সোসাইটি। আজীবন সদস্য, ফেনী রোগী কল্যান সমিতি। সাবেক সভাপতি, মঠবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়। সাবেক সেক্রেটারী জেনারেল, ফেনী আলিয়া মাদ্রাসা গভর্নিং বডি। গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা, অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, জোয়ার কাছাড়। সভাপতি, মসজিদ-ই-ওয়াইছকুরণী, জোয়ার কাছাড়।

আরজু বলেন, ধারাবাহিকক্রমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে অবিরাম কর্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।বর্তমান সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী, ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান, সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা একরামুল হক একমার সহ পুরো জেলায় আওয়ামীলীগের ১৪ জন নেতাকর্মী- কে হত্যা করে। সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের প্রতিটি টেন্ডারে ১০%, ২০% করে ব্যক্তি স্বার্থে চাঁদা আদায় করে। এতে করে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ভাবমূর্তি ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে। এমতাবস্থায় ফেনী ২ (সদর) আসনে আমাকে মনোনয়ন দিলে নিশ্চিত ভাবে জয় লাভ করে প্রধান মন্ত্রীর ভাবমূর্তি সমোজ্জল করে কার্যক্রমকে আরো নিখুঁতভাবে পরিচালনা করতে পারবো।