আজ

  • শনিবার
  • ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে সচিবালয়ের সামনে বাম জোটের বিক্ষোভ

আপডেট : অক্টোবর, ১৪, ২০১৮, ৬:২১ অপরাহ্ণ


সালাহ্উদ্দিন মজুমদার>>>>
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। পুলিশ বাধা দিলে সচিবালয়ের গেটের সামনে তাঁরা বিক্ষোভ করেন।

আজ রোববার দুপুরে বাম গণতান্ত্রিক জোট পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ শেষে সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। জোটের নেতাকর্মীরা প্রথমে প্রেসক্লাব থেকে মিছিল নিয়ে পল্টন মোড় হয়ে পরে সচিবালয়মুখী হয়। এ সময় সচিবালয়ের গেটের সামনে থাকা পুলিশ ব্যারিকেড তৈরি করে অবস্থান নেয়। মিছিল ব্যারিকেড সরিয়ে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। কিছুক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পর পুলিশ সরে দাঁড়ালে আন্দোলনকারীরা গেটের সামনে বিক্ষোভ করে।

বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, ইভিএমের ব্যবহার না করা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করার দাবি জানানো হয়। শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণা অনুযায়ী বাম গণতান্ত্রিক জোট আগামী ২৩ অক্টোবর সারা দেশে বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। ঢাকায় এ অবস্থান হবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। এ ছাড়া ২৯ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি দেবে।

সমাবেশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম বলেন, ‘দেশে উত্তরাধিকারের রাজনীতি চলছে। গণতন্ত্রের চর্চা নেই। এ রাজনীতির ধারা শেষ করতে না পারলে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে না।’

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, বাংলাদেশে প্রতিটি নির্বাচনেই নতুন নতুন সংকট তৈরি হয়। তিনি ডিজিটাল আইনের সমালোচনা করেন।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, বর্তমান সরকার সব স্বৈরতন্ত্রের মাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। জনগণকে রাষ্ট্রের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে। সরকার ২১ আগস্টের কথা বলে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে পারে না। মানুষের ভোটাধিকারও নিশ্চিত করতে হবে।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা ফখরুদ্দীন কবীর আতিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক।