আজ

  • মঙ্গলবার
  • ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দাগনভূঞায় নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষন,আটক ২

আপডেট : নভেম্বর, ৪, ২০১৮, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ


স্টাফ রিপোর্টার >>>দিদারুল আলম

দাগনভূঞায় নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে এক কিশোরীকে (১৬) ধর্ষন করেছে রবিন (২৪) নামের এক বখাটে। শনিবার ভোরে বখাটে রুবেল (২৩) ও সুমি আক্তারকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নির্যাতিতার পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিন আলীপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে রবিন গত ২৫ অক্টোবর একই এলাকার সফি উল্যাহর ছেলে রুবেল ও জয়নাল আবদীনের মেয়ে সুমি আক্তারের সহযোগীতায় ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষন করে মোবাইল ফোনে এর ভিডিও চিত্র ধারন করে। পরে ধারনকৃত ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে ছেড়ে দেয়। পরে ওই কিশোরীর সাথে একই এলাকার আবুধাবী প্রবাসী সুমন নামের এক ব্যাক্তির বিয়ে ঠিক হয়। তবে মেয়েটির বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে ওই প্রবাসী আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করার এমন কথাবার্তাও হয় উভয় পরিবারে।

ওইদিন তাকে সুমি আক্তার বসত ঘরে ডেকে নিয়ে মিষ্টির সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়ায়। এসময় তাকে বাগানে নিয়ে অচেতন অবস্থায় বখাটে রবিন একাধিকবার ধর্ষন করে। বিষয়টি সুমি তার মোবাইলে ভিডিও করে তা ফেইসবুকে প্রবাসী সুমনের কাছে পাঠায়। এতে করে ওই প্রবাসী কিশোরীটিকে বিয়ে করতে অপাররোগতা জানায়।
বিষয়টি জানাজানি হলে নির্যাতিতার মা গোলনাহার বেগম বাদী হয়ে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে তিন জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দাগনভূঞা থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।
দাগনভূঞা থানার ওসি মো: ছালেহ আহাম্মদ পাঠান জানান, আদালতের নির্দেশে অভিযান চালিয়ে আসামী রুবেল ও সুমি আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ আরো জানায়, নির্যাতিতার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। শারীরিক পরিক্ষার জন্য তাকে ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এদিকে পলাতক অপর আসামীকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।