আজ

  • শুক্রবার
  • ২৩শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ছোট জেলায় এম পি হওয়ার দৌড়ে প্রার্থীরা

আপডেট : নভেম্বর, ১৭, ২০১৮, ১:৫৩ অপরাহ্ণ

সালাহ উদ্দিন মজুমদার>>>>

আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বেশ ছোট একটি জেলা ফেনী। জেলা ছোট হলেও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখান থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্ভাবনা রয়েছে ডাকসাইটে প্রার্থীদের।

ফেনী-১ আসন (ছাগলনাইয়া, পরশুরাম ও ফুলগাজী) থেকে নির্বাচন করেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার পিতা ইস্কান্দার মজুমদার এখানকার ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ির বাসিন্দা ছিলেন। বর্তমানে খালেদা জিয়া কারাবন্দি থাকলেও দলীয় নেতাকর্মীরা তার পক্ষে ফেনী-১ আসনে দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হতে পারেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। তিনি পরশুরাম উপজেলার চৌধুরী বাড়ির ছেলে। এছাড়া এ আসনে মহাজোট থেকে এবারো নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান এমপি ও জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার।

ফেনী-২ আসনে নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন সাংবাদিক নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। একই আসন থেকে জয়নাল আবেদীন হাজারীও নির্বাচন করতে চান। পাশাপাশি ফেনীর বাকি দুটি আসনের জন্যও আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তিনি।

ফেনী-৩ আসন থেকে (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) নির্বাচন করতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও কেন্দ্রীয় নেতা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) নাসির উদ্দিন আহমেদ দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এ আসনে দলটির মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ১৯ জন। মহাজোট থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন এক-এগারোর আলোচিত সেনা কর্মকর্তা লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। আওয়ামী লীগের হয়ে প্রার্থিতার জন্য মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার পাঁচদিনের মাথায় আবার জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে জমা দেন তিনি। এর পরপরই তিনি জাতীয় পার্টির নীতিনির্ধারণী পর্ষদের সদস্য ও চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পান। তিনি সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুলাখালী গ্রামের সন্তান।

এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আরেক সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন আহমেদ। তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক পদে কর্মরত থেকে ১৯৯২ সালে অবসর নেন। তার বাড়ি দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গ্রামে।

এছাড়া নাট্যাভিনেত্রী শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচীসহ ১৫ জন এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতার জন্য মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে জমা দিয়েছেন।