আজ

  • সোমবার
  • ১০ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে ১ ও ৩ আসনের দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে আ’লীগে বিভক্তি চরমে

আপডেট : ডিসেম্বর, ১৬, ২০১৮, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ


স্টাফ রিপোর্টার>>>ওমর আলম
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১ (ফুলগাজী-পরশুরাম-ছাগলনাইয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ আবদুল্লাহ এবং ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশারকে নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এই বিভক্তি কোথাও কোথাও সংঘাতে রূপ নিয়েছে। এতে করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ভোটারা।
জানা গেছে, এই দ্বিধা-বিভক্তির জের ধরে দাগনভূঞায় ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দুধমুখা বাজারে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মহাজোট প্রার্থী লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর (লাঙ্গল) সমর্থক এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশারের (আপেল) সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আপেল প্রতীকের প্রার্থী আবুল বাশারের নির্বাচনী কার্যালয় ও মহাজোট প্রার্থীর (লাঙ্গল) সমর্থকদের দুটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়। ঘটনার জন্য দুই পক্ষই পরস্পরকে দায়ী করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও প্রার্থী বাশারের সমর্থক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আবছার অভিযোগ করেন, ওই দিন বিকেলে এতিমখানা বাজারে প্রার্থীর নির্বাচনী পোস্টার লাগানোর সময় তাদের সমর্থক রহমানকে মারধর করে ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ ও তার সহযোগীরা। সন্ধ্যায় আবার দুধমুখা বাজারের আবুল বাশারের কেন্দ্রীয় কমিটির সভা চলাকালীন বিরোধী পক্ষ হামলা করতে গেলে বাশার সমর্থকরা তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় তারা দুটি মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে গেলে বাশার সমর্থকরা সেই মোটরসাইকেল দুটি ভাংচুর করে। এ সময় অন্তত তিনজন আহত হয়। তবে তাদের নাম জানা যায়নি।
কিছুক্ষণ পর মহাজোট সমর্থকরা পুনঃরায় একত্রিত হয়ে দুধমুখা বাজারে আবুল বাশারের নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর করে। এ ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যায় জগতপুর গ্রামের নূরার টেক এলাকায় বাশার গ্রুপের হাসান ও কামরুলকে মারধর করে। আহতদের দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও কোম্পানীগঞ্জ এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ছাত্রলীগ নেতা মো. রাশেদ অভিযোগ করেন, তারা ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় বাশার সমর্থকরা তাদের ওপর অর্তকিত হামলা চালায় ও তাদের মোটরসাইকেল ভাংচুর করে।

ঘটনার পর দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ছালেহ আহম্মদ পাঠান জানান, ছোট-খাট ঘটনার কথা শুনেছেন। তবে কোনো পক্ষই থানায় মামলা বা অভিযোগ দেয়নি।