আজ

  • শুক্রবার
  • ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩রা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দাগনভূঞায় সম্পত্তির জন্য মেয়েদের বাধার মুখে চার ঘন্টা পর পিতার লাশ দাফন

আপডেট : জুন, ২৬, ২০১৯, ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ


স্টাফ রিপোর্টার>>>সোলায়মান মাহদী

দাগনভূঞায় মেয়েদের বাধার মুখে চার ঘণ্টা পর হতভাগ্য বাবা মৃত শামছুল হকের (৬০) লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার ২১ জুন দাগনভূঞা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের লমী- জমাদার বাড়িতে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,ওই দিন সকালে বার্ধক্য জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন শামছুল হক।বাদ জুমা মরহুমের নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে এলাকায় মাইকিং করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে লাশ দাফনের সময় মৃতের মেয়ে তাহেরা,কহিনুর বেগম, হাছিনা আক্তার, শেফালি বেগম ও তাজনাহার বেগম লাশ দাফনে বাধা দেয়।

কারণ হিসেবে জানা যায়, মৃত্যুর পূর্বে শামছুল হক তার ছেলে মোশারফ হোসেন বাচ্চু ও মিজানুর রহমানকে সকল সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে দেন এবং তার মেয়েদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি সমাধান করার আশ্বাস দিলে চার ঘণ্টা পরে নামাজের জানাজা সম্পন্ন করে লাশ দাফন করা হয়। পরে স্থানীয় মাতব্বর ও মৃতের আত্মীয়স্বজন দুই ভাইয়ের ওপর চড়াও হয়। এ সময় বোন এবং সমাজের অন্যান্যরা নন জুড়িশিয়াল সাদা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক তাদের স্বাক্ষর নেয়ার চেষ্টা করেন।

মৃতের ছেলে মোশারফ হোসেন জানান, বাবা মৃত্যুর আগে বোনদের প্রাপ্ত সম্পত্তি বুঝিয়ে দেন এবং আমাদের দুই ভাইকে স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে দেন। বোনদের সম্পত্তি বুঝে দেয়ার কোনো প্রমাণ পত্র আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মোশারফ বলেন, লিখিত কাগজ তার কাছে রয়েছে। অপর দিকে মৃতের পাঁচ মেয়ে বলেনতাদের ভাইয়েরা বাবার কাছ থেকে গোপনে সকল সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে নিয়েছে। আমরা আমদের প্রাপ্য সম্পত্তির দাবি করছি। দাগনভূঞা থানার ওসি মো. ছালেহ আহাম্মদ পাঠান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে উভয়ের সম্মতিতে বিষয়টি সমাধান করার শর্তে মৃতের লাশ দাফন সম্পন্ন করেন।