আজ

  • শুক্রবার
  • ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে যুবক আটক

আপডেট : জুলাই, ২৮, ২০১৯, ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিনিধি : ফেনীতে ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে জাহেদ হাসান রনি (২১) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব। ২৭ জুলাই শনিবার রাতে ফেনী পৌরসভার গোপাল পট্টির হাবিব চক থেকে তাকে আটক করা হয়।

ফেনীস্থ র‌্যাবের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার জুনায়েদ জাহেদী জানান, র‌্যাব জানতে পারে একজন গুজবকারী ‘‘জাহেদ হাসান রনি’’ নামক ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন শ্রেনী সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর লক্ষ্যে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠির মাঝে উস্কানিমূলক তথ্য প্রচারের নিমিত্তে মোবাইল ফোন ও নানা রকম ইলেকট্রিক ডিভাইস ব্যবহার করে বিভিন্ন ছবি ও তথ্য ফেইসবুক তথা স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারসহ অন্যের পোষ্ট শেয়ার করে নানা রকম গুজব রটানোর কাজে লিপ্ত আছে।

ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতার র‌্যাব জানতে পারে উক্ত গুজবকারী ফেনীর গোপাল পট্টি এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল ফেনী শহরের গোপাল পট্টি হাবিব চকের ফয়েজ জুয়েলার্স নামক দোকানে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় আসামী জাহেদ হাসান রনিকে আটক করা হয়। রনি ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ফয়েজ আহাম্মেদ এর ছেলে। এছাড়া গুজব রটানোর কাজে ব্যবহৃত ২টি আইফোন ও ২টি সীম কার্ডসহ উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মোবাইল বিশ্লেষণ করে তার (জাহেদ হোসেন রনি) ব্যবহৃত ফেইসবুক একাউন্ট পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে উক্ত ফেইসবুক আইডির টাইমলাইনে বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট ও বিভিন্ন গোষ্ঠির মধ্যে দ্বন্দ সৃষ্টির লক্ষে মসজিদ পোড়ানোর ছবি ও পাশ্ববর্তী রাষ্ট্রে জনৈক মুসলমানকে পিটিয়ে হত্যা করা এবং একজন মুসলমান মহিলাকে মন্দিরে রেখে নির্যাতন করে হত্যা করার বিভিন্ন ধরনের শব্দ ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনাশ ও আইন শৃঙ্খলা অবনতি ঘটানো সংক্রান্তে বিভিন্ন পোষ্ট পাওয়া যায়।

আটককৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এধরনের গুজব ছড়ানোর কথা স্বীকার করে। তার দেয়া তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে এই চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আটককৃতকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।