আজ

  • মঙ্গলবার
  • ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মহিপালে জনশক্তি কার্যালয়ে ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে এসে ধরা পড়লো রোহিঙ্গা

আপডেট : আগস্ট, ৮, ২০১৯, ৩:১১ অপরাহ্ণ


শহর প্রতিনিধি :
পাসপোর্ট করেছেন পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের নোয়াপুর গ্রামের পরিচয়ে। পিতার নাম মো. জাহান ও মাতার নাম নুর জাহান। বুধবার শহরের মহিপালে জনশক্তি অফিসে ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে এসে ধরা পড়লেন রোহিঙ্গা যুবক আবদুল্লাহ (২১)।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়ে সাংবাদিকসহ অফিসে বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট নিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙ্গুলের ছাপ) দিতে আসেন আবদুর রহমান। এসময় ‘কথিত’ ওই সাংবাদিক দ্রুত কাজটি করে দিতে কর্মকর্তাদের চাপ প্রয়োগ করেন। পরে কর্মকর্তারা নাম-পরিচয় জিজ্ঞেস করলে তাদের কথা বুঝতে পারছিলেন না ওই যুবক। এতে তাকে রোহিঙ্গা হিসেবে সন্দেহ করা হয়। ঘটনাটি বুঝতে পেরে ওই সাংবাদিকসহ তার সঙ্গে আসা আরও দুইজন সটকে পড়েন। পরে আবদুর রহমানকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
তার পাসপোর্ট তথ্যে জানা গেছে, ওই রোহিঙ্গা যুবকের প্রকৃত নাম আবদুল্লাহ। ফেনী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. আবুল হোসেন স্বাক্ষরিত পাসপোর্ট (বিআর ০৬৮৭৪৪৩) ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রদান করা হয়েছে। তার নাম আবদুর রহমান, পিতার নাম মো. জাহান ও মাতার নাম নুর জাহান লেখা হয়েছে। পাসপোর্টে উল্লেখিত ব্যক্তিগত নাম্বার ব্যবহার করা হয়েছে ১৯৯৮৩০১৫১২৩৯৮৬৯০৪।
রোহিঙ্গা যুবক আবদুর রহমান জানান, গত দুই বছর আগে পরিবার নিয়ে মায়ানমারের মংড এরিয়া থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। কক্সবাজার এর ১৬নং শফিউল্লা কাটা ক্যাম্পে অবস্থান করছে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে দালালের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে পাসপোর্টটি বানানো হয়। পরে ওই দালালদের মাধ্যমে সৌদি আরবের ভিসা নিয়ে প্রিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে আসেন তিনি।
ফেনী মডেল থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন জানান, আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।