আজ

  • শুক্রবার
  • ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ফেনী জনশক্তি অফিসে হামলা আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জনকে আসামী করে মামলা

আপডেট : ডিসেম্বর, ৩০, ২০১৯, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ

সালাহ উদ্দিন মজুমদার>>>
ফেনী কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে হামলা-ভাংচুর ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারি পরিচালক মোঃ নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামী হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য বিদায়ী কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক ও জেলা কাজী সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন দিদার (৪৯)। অপর আসামী হল ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন (৪৮), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য আশ্রাফ উল্লাহ রাসেল (৪৭), সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন (৪৯) ও নুরুল আমিন (৪৫)।

মামলার এজাহারে মোঃ নিজাম উদ্দিন উল্লেখ করেন, আজ রবিবার দুপুরে আনোয়ার হোসেন ও নুরুল আমিন আমার অফিসে ভিয়েতনামে ভ্রমন ভিসায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিতে আসে। ভ্রমণ ভিসায় কোন প্রকার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া হয় না, তাদের জানালে আনোয়ার হোসেন আমাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দসহ হুমকি প্রদান করে বের হয়ে যায়।এরপর দুপুরে তারা দলবদ্ধ হয়ে এসে পুনরায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণের জন্য আসে। আমি অপারগতা জানালে মহিউদ্দিন দিদারের নেতৃত্বে আসামীরা আমাকে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করে। আমি বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবগত করার চেষ্টা করলে দিদার আমার ল্যান্ডফোন সেটের লাইন ছিঁড়ে ফেলে ও সেটটি ছুঁড়ে ফেলে দেয়। মোবাইল ফোনে বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানাতে চাইলেও তারা আমার ফোন ছিনিয়ে নেয়। এরপর মহিউদ্দিন দিদার ও আনোয়ার হোসেন আমার টেবিলের উপর চেয়ার দিয়ে আঘাত করে গ্লাসসহ ৪টি চেয়ার ভেঙ্গে ফেলে।
পরবর্তীতে আমার শোর চিৎকারে অফিসের লোকজন সহ স্থানীয় জনসাধারণ এগিয়ে আসে। এসময় নুরুল আমিন পালিয়ে যায়। আমি স্থানীয়দের সহায়তায় আমি দিদারসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশে খবর দেই। হামলায় ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় নিজাম উদ্দিন উল্লেখ করেন। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় মহিউদ্দিন দিদার, আনোয়ার হোসেন, আশ্রাফ উল্লাহ ও জসিম উদ্দিনকে আটক করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।