আজ

  • বৃহস্পতিবার
  • ৩রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘করোনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর ভরসা রাখুন’স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা.আবুল কালাম আজাদ।

আপডেট : জুন, ১৯, ২০২০, ২:৩০ পূর্বাহ্ণ

সালাহ উদ্দিন মজুমদার>>>>

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ভরসা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। দেশবাসীর উদ্দেশে তিন বলেন, আপনারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর ভরসা রাখুন। আর বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি ও বাস্তবতার প্রতিও লক্ষ্য রাখুন। বাংলাদেশ ব্যতিক্রমী কোনো দেশ নয়। আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থে যা করা সম্ভব  এবং যা করা বাস্তবমুখী সরকার সেরকম ব্যবস্থাই নিচ্ছে। 

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে তিনিই (প্রধানমন্ত্রী) দেশের সবচেয়ে ব্যস্ততম ব্যক্তি। করোনা শুধু স্বাস্থ্যগত বিষয় নয়। এটি সামাজিক, অর্থনৈতিক, যোগাযোগ, ধর্ম, বাণিজ্য অর্থাৎ, জীবনের সব উপজীব্যকে ঘিরে। কিন্তু তিনি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অধিকতর নজর দিয়েছেন। তার নির্দেশে (স্বাস্থ্যখাতে) দীর্ঘস্থায়ী সক্ষমতার কাজ শুরু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিন উপস্থাপনের আগে দেওয়া বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এসব কথা বলেন ।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি এক দুই ও তিন মাসেও শেষ হবে না। এটি দুই তিন বছর বা তার চেয়েও বেশি সময় স্থায়ী হবে। যদিও সংক্রমণের মাত্রা উচ্চহারে নাও থাকতে পারে। এ বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্যক উপলদ্ধি করেন। 

তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত। আমরা নিবেদিত অনেক চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইন-শৃংখলাবাহিনীর সদস্য, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিকসহ অনেক শীর্ষ রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট গুণীজনসহ অনেক মানুষকে আমরা হারিয়েছি।  

চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, করোনা সন্দেহ হলে পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসা দিন। যে কোনো মূল্যে আমাদের মৃত্যুসংখ্যা হ্রাস করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিতেই হবে। 
তিনি বলেন, আরও নতুন নতুন সহজে করা যায় এমন কভিড ১৯ পরীক্ষা চালু করা হবে। উপজেলা হাসপাতাল পর্যন্ত এ ধরনের পরীক্ষা চালুর প্রচেষ্টা নেয়া হবে। সকল জেলা হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা সম্প্রসারণের কাজ চলছে।  

পরীক্ষার কিট ও পিপিইর যাতে কোনো অভাব না হয়, সেজন্য সুপরিকল্পিত সংগ্রহ ও সরবরাহের পদ্ধতি গ্রহণ করা হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি সকল হাসপাতাল কভিড-নন কভিড রোগীদের ভালোভাবে চিকিৎসা দেয়া যায় তার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। 
সূএ> যুগান্তর