আজ

  • বুধবার
  • ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আনন্দপুর ইউনিয়নের নিখোঁজ বৃদ্ধার লাশ ৯ দিন পর পাওয়া গেল ডোবায়

আপডেট : জুন, ২৭, ২০২০, ৬:০২ অপরাহ্ণ

অফিস ডেস্ক>>>

আনন্দপুর ইউনিয়নে নিখোঁজ ৯ দিন পর বৃদ্ধা ছেমন আরা(৭২) লাশ মিললো বাড়ির পাশে ডোবায়। শুক্রবার সকালে
খিলপাড়া গ্রামের বদিউজ্জামান মেম্বার বাড়ির দক্ষিণ কবরস্থানে পাশে ডোবা থেকে অধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানান,এলাকার লোকজন সকালে চলাচলের সময় বদিউজ্জামান মেম্বার

বাড়ির দক্ষিণ কবরস্থানে ডোবার মধ্যে থেকে লাশ দেখতে পায়। এদিকে লাশের পঁচা গন্ধ কেউ কাছে আসতে পারছেনা।পরে স্হানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে ফুলগাজী থানা ওসি মোঃ কুতুব উদ্দিন ও গোয়েন্দা পুলিশসহ এক দল পুলিশ ঘটনাস্হলে ছুটে আসে।ডোবার মধ্যে হতে লাশ উদ্ধার করা হয়।পরে লাশের পরিচয় মিলে এটি হতভাগ্য ছেমন আরা লাশ।ছেমন আরা ১৭ জুন রাতে মেজ ছেলে নুর আলমের ঘর থেকে নিখোঁজ হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে ।এদিকে গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনাস্হল পরিদর্শন করে ও এলাকার উপস্থিত লোকজনকে জিজ্ঞসাবাদ করে। ফুলগাজী থানা পুলিশ জিজ্ঞেসাবাদ করার জন্য নুর আলমের স্ত্রী রাশেদ বেগম সহ পরিবারের সদস্যদের থানায় নিয়ে আসে।এই ঘটনায় নিহতের ছেলে মোবারক হোসেন সুফল বাদী হয়ে রাশেদার নাম উল্লেখ করে ৫/৬ জনকে অজ্ঞাতা আসামি করে মামলা প্রস্তুতি চলছে । নিহতের ছেলে জানায়,
অসুস্থ মা থাকতেন আমার প্রবাসী মেঝো ভাই স্ত্রীর সাথে। নিজে নিজে চলাফেরা করতে পারতেন না।

১৭ জুন রাতে আমি নিজের হাতে মাকে ফল খাওয়াই। সকালে শুনি মা ঘরে নেই ।

এলাকায় ও আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজি করি পরে মাকে না পেয়ে ২০ জুন ফুলগাজী থানায় জিডি করি। তদন্তকারী কর্মকর্তা কোনো কুলকিনারা করতে পারেননি।আজকে সকালে মায়ের অর্ধগলিত লাশের সন্ধান পাই বাড়ির পাশের ডোবায়।এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। আমার মায়ের হাত্যাকারীদের উপযুক্ত বিচার চাই।

ফুলগাজী ওসি ( তদন্ত ) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানায়, মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। একজন আটক আছে।