আজ

  • মঙ্গলবার
  • ১৩ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দাগনভূঞার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু কাঠ মিস্ত্রির উপর যুবলীগ নেতার হামলা

আপডেট : অক্টোবর, ১১, ২০২০, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ

অফিস ডেস্ক>>>>

দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের এতিমখানা বাজারস্থ রজনী সূত্রধর বাড়ীর কৃষ্ণলাল সূত্রধরের পুত্র পলাশ সূত্রধর কে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু পিটিয়ে আহত করেছে একই গ্রামের যুবলীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সোহেল। হামলাকারী ফখরুল ইসলাম ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, যুবলীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সোহেলের বাড়িতে ঘর ও ফার্ণিচার মেরামতের কাজ করে পলাশ সূত্রধর। ৮/১০ দিন কাজ করার পর পারিশ্রমিক না দেয়ায় কাজ বন্ধ রাখেন। যুবলীগ নেতা ফখরুল প্রভাব দেখিয়ে কাজ না করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর ফখরুল ইসলাম সোহেল সহ হাসান, ইয়াছিন, শামিম কাঠ মিস্ত্রি পলাশের উপর হামলা করে।

এসময় তার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এসময় তার সাথে থাকা মোবাইল, নগদ টাকা ও কাঠ মিস্ত্রির যন্ত্রপাতি নিয়ে যায়। হামলার পর ফখরুল ইসলাম বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় একটি সাজানো চুরির মামলা করে, পুলিশের যোগসাজশে প্রভাব দেখিয়ে ওই মামলায় আসামী না হলেও সন্দেহভাজন হিসেবে পলাশ কে আটক করিয়ে কোর্টে চালান করে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের কাছে বিচার দিলে তারা বিচার করেনি, থানায় গেলে মামলা নিতে তালবাহানা করে। পরবর্তীতে ২৯ সেপ্টেম্বর পলাশ সূত্রধরের পিতা কৃষ্ণ লাল সূত্রধর বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দাগনভূঞা আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন।

আহত পলাশ সূত্রধর জানান, মামলা করায় তার পিতাকে হুমকি দেয়ায় তিনি স্ট্রোক করে বর্তমানে মৃত্যুসয্যায়। প্রভাবশালী মহলের ও আসামীদের হুমকীতে তার পুরো পরিবার জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে ফখরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায় না। দাগনভূঞা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম সিকদার জানান, ঘটনাটি শুনিছে, এবিষয়ে দুপক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা করেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।